মৃত্যুর গুঞ্জনের মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নেতানিয়াহুর কফি পানের ভিডিও প্রকাশ

· Prothom Alo

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু গতকাল রোববার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের একটি ভিডিও পোস্ট করেছেন। সেখানে তাঁকে কফি পান করতে এবং সহকর্মীর সঙ্গে আলাপ করতে দেখা যাচ্ছে। নেতানিয়াহু মারা গেছেন বা আহত হয়েছেন বলে গুঞ্জন চলার মধ্যে তাঁর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিওটি প্রকাশ করা হলো।

ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমে নেতানিয়াহুর মৃত্যু বা আহত হওয়ার এ খবর প্রচারিত হয়েছিল। ইরানের অনলাইনেও সে গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছিল।

Visit iwanktv.club for more information.

গতকাল নেতানিয়াহুর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অ্যাকাউন্টে প্রকাশিত ভিডিওটি জেরুজালেমের প্রান্তভাগে অবস্থিত একটি ক্যাফেতে ধারণ করা হয়েছে। নেতানিয়াহু এটি তাঁর টেলিগ্রাম অ্যাকাউন্টে পোস্ট করেছেন। সেখানে দেখা যাচ্ছে, তাঁর সহযোগী তাঁকে এসব গুজব সম্পর্কে প্রশ্ন করছেন।

নেতানিয়াহু ‘ডেড’ শব্দটি নিয়ে মজা করে বলেন, হিব্রু ভাষায় শব্দটি কারও বা কিছুর প্রতি ‘উন্মাদনা’ বোঝাতেও ব্যবহৃত হয়।

ইসরায়েলের যুদ্ধবাজ এই প্রধানমন্ত্রীকে বলতে শোনা যায়, ‘আমি কফির জন্য উন্মাদ–পাগল। জানেন কি, আমি আমার জনগণের প্রতিও উন্মাদ।’

ক্যাফের সংরক্ষিত ছবি ব্যবহার করে রয়টার্স ভিডিওটির অবস্থান যাচাই করেছে। ভিডিওতে দেখা যাওয়া পরিবেশের সঙ্গে ক্যাফের সংরক্ষিত ছবিতে দেখা যাওয়া পরিবেশ মিলে গেছে। আর ক্যাফেতে গতকাল নেতানিয়াহুর সফরের বিভিন্ন ভিডিও ও ছবি দেখে ওই ভিডিও ধারণের তারিখ যাচাই করা হয়েছে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে আগ্রাসন শুরুর পর উগ্রবাদী নেতানিয়াহু অন্তত দুটি শহর, একটি হাসপাতাল, বন্দর ও সামরিক ঘাঁটি পরিদর্শন করেছেন। তবে সেখানে সংবাদমাধ্যমের প্রবেশ সীমিত ছিল। ভিডিওগুলো তাঁর কার্যালয় থেকে সরবরাহ করা হয়েছে।

নেতানিয়াহুর মৃত্যু বা গুরুতর আহত হওয়ার খবর নিয়ে গুঞ্জন: তাসনিম নিউজ

যুদ্ধবাজ নেতানিয়াহু খুব কমই ইসরায়েলের সংবাদমাধ্যমকে সাক্ষাৎকার দেন বা সংবাদ সম্মেলন করেন। ইরানে আগ্রাসন শুরুর পর গত বৃহস্পতিবার ভিডিও লিংকের মাধ্যমে তাঁর প্রথম সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। গত বছরের জুনে ইসরায়েল ও ইরানের ১২ দিনের সংঘাতের সময় তিনি একই পথ অবলম্বন করেছিলেন।

ইরানে আগ্রাসন শুরুর পর থেকে ইসরায়েলে জরুরি নিরাপত্তা বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে, যা জনসমাগম নিষিদ্ধ করেছে এবং বেশির ভাগ মানুষকে বাড়িতে বা আশ্রয়কেন্দ্র ও নিরাপদ কক্ষে থাকতে বাধ্য করেছে। দেশের অধিকাংশ স্কুলও বন্ধ রয়েছে।

ইরানে আগ্রাসন শুরুর পর থেকে ইসরায়েলে জরুরি ভিত্তিতে নিরাপত্তাজনিত বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। এর আওতায় জনসমাগম নিষিদ্ধ করা হয়েছে এবং বেশির ভাগ মানুষকে বাড়িতে বা আশ্রয়কেন্দ্র ও নিরাপদ কক্ষের কাছে থাকতে বলা হয়েছে। দেশের অধিকাংশ স্কুলও বন্ধ রয়েছে।

Read full story at source